ইশরাকের পদত্যাগের খবরকে ‘ভিত্তিহীন’ বলল তাঁর দপ্তর
মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনকে পদত্যাগের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে—বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত এমন খবর প্রত্যাখ্যান করেছে তাঁর দপ্তর। রোববার ইশরাক হোসেনের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক প্রতিবাদলিপিতে পদত্যাগসংক্রান্ত খবরকে অসত্য ও বিভ্রান্তিকর বলে দাবি করা হয়।
প্রতিবাদলিপিতে বলা হয়েছে, সরকারের উচ্চপর্যায় থেকে প্রতিমন্ত্রীকে পদত্যাগের কোনো নির্দেশ দেওয়া হয়নি। তাঁর পদত্যাগের বিষয়টিও সত্য নয় বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এ ধরনের সংবাদ প্রচারের পেছনে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য থাকতে পারে বলেও দাবি করেছে তাঁর দপ্তর।
অস্ত্র প্রদর্শনের ঘটনা ঘিরে আলোচনা
সম্প্রতি রাজধানীর গেন্ডারিয়ায় নিজ সংসদীয় এলাকায় মাদকবিরোধী সামাজিক প্রতিরোধ কর্মসূচিতে অংশ নেন ইশরাক হোসেন। এ সময় তাঁর হাতে আগ্নেয়াস্ত্র দেখা যাওয়ার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ঘটনাটি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে প্রতিমন্ত্রীর পদত্যাগের নির্দেশসংক্রান্ত খবরও বিভিন্ন মাধ্যমে প্রচারিত হয়।
প্রতিবাদলিপিতে বলা হয়েছে, ওই কর্মসূচিতে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে আত্মরক্ষার প্রয়োজনে আইনসম্মতভাবে অস্ত্র প্রদর্শন করেছিলেন প্রতিমন্ত্রী। এ বিষয়ে তিনি আগেই নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করেছেন বলেও জানানো হয়।
তবে অস্ত্র প্রদর্শনের পরিস্থিতি ও এর আইনগত দিক সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য এবং যাচাই করা তথ্য প্রয়োজন।
সংবাদ প্রত্যাহারের আহ্বান
প্রতিবাদলিপিতে সংশ্লিষ্ট সংবাদমাধ্যমগুলোকে পদত্যাগসংক্রান্ত খবর প্রত্যাহার করে সঠিক তথ্য প্রকাশের আহ্বান জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে এ ধরনের সংবাদে বিভ্রান্ত না হতে সাধারণ মানুষের প্রতি অনুরোধ জানানো হয়।
এতে আরও বলা হয়েছে, বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার অব্যাহত থাকলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে।
আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্তের বিষয়ে কী জানা গেল
ইশরাক হোসেনের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রকাশিত প্রতিবাদলিপিতে তাঁর পদত্যাগের নির্দেশ পাওয়ার খবর সরাসরি অস্বীকার করা হয়েছে। তবে এই প্রতিবাদলিপি প্রতিমন্ত্রীর দপ্তরের অবস্থান তুলে ধরে; পদত্যাগসংক্রান্ত খবরের সত্যতা নির্ধারণে সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্যও গুরুত্বপূর্ণ।
প্রতিবাদলিপিতে স্বাক্ষর করেছেন ইশরাক হোসেনের প্রেস কর্মকর্তা মাহফুজ কবির মুক্তা।
তথ্যসূত্র: ইশরাক হোসেনের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে ১৮ অক্টোবর ২০২৬ প্রকাশিত প্রতিবাদলিপি।