ভারতে হাসপাতালের দেয়াল ধসে নিহত ৭
ভারতের একটি সরকারি হাসপাতালে দেয়াল ধসে অন্তত সাতজন নিহত হওয়ার ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয় সময় ভোরের দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। ঘটনাটি ঘটে ভারত-এর একটি জেলা শহরের হাসপাতালে, যেখানে রোগী ও তাদের স্বজনরা অবস্থান করছিলেন।প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, হাসপাতালের একটি পুরনো অংশের দেয়াল হঠাৎ করে ধসে পড়ে। এ সময় দেয়ালের পাশেই কয়েকজন রোগী ও তাদের পরিবারের সদস্যরা ঘুমিয়ে ছিলেন। ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে ঘটনাস্থলেই কয়েকজনের মৃত্যু হয়। আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে নিকটবর্তী চিকিৎসাকেন্দ্রে পাঠানো হয়।দুর্ঘটনার পরপরই উদ্ধারকাজ শুরু করে স্থানীয় প্রশাসন ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা। কয়েক ঘণ্টার চেষ্টায় ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে আটকে পড়াদের বের করে আনা হয়। উদ্ধারকারী দলের এক সদস্য জানান, “দেয়ালটি অনেক পুরনো ছিল এবং সাম্প্রতিক ভারী বৃষ্টির কারণে তা দুর্বল হয়ে পড়েছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে।”হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নিহতদের মধ্যে রোগী ও তাদের স্বজন উভয়ই রয়েছেন। আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাদের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে রাখা হয়েছে।এদিকে, দুর্ঘটনার পর হাসপাতালের অবকাঠামো নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করেছেন, দীর্ঘদিন ধরে হাসপাতালের ভবনের সংস্কারের দাবি জানানো হলেও তা কার্যকর হয়নি। ফলে এ ধরনের দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে তারা মনে করছেন।প্রশাসনের পক্ষ থেকে ঘটনাটি তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জেলা প্রশাসক জানিয়েছেন, “দুর্ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখতে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীও এই ঘটনায় শোক প্রকাশ করেছেন এবং নিহতদের পরিবারের জন্য ক্ষতিপূরণ ঘোষণা করেছেন। একই সঙ্গে আহতদের চিকিৎসার সব ব্যয় সরকার বহন করবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পুরনো ভবনগুলো নিয়মিত পরিদর্শন ও সংস্কার না করলে এ ধরনের দুর্ঘটনা ঘটার ঝুঁকি বাড়ে। তাই ভবিষ্যতে এমন ঘটনা এড়াতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার ওপর জোর দিয়েছেন তারা। এই মর্মান্তিক ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। নিহতদের পরিবারের সদস্যদের আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠেছে হাসপাতাল প্রাঙ্গণ। স্থানীয়রা দ্রুত সঠিক তদন্ত ও দায়ীদের শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
সিংড়ায় খাবার খেয়ে একসাথে অসুস্থ ৮ শ্রমিক, হাসপাতালে ভর্তি
বাংলাদেশ পুলিশের ইউনিফর্মের রং পরিবর্তন নিয়ে আবারও নতুন উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। চলমান বিতর্ক ও মাঠপর্যায়ের অসন্তোষের পর আগের রংয়ের কাছাকাছি নকশায় ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্তের দিকে যাচ্ছে কর্তৃপক্ষ।নতুন প্রস্তাব অনুযায়ী, পুলিশের ইউনিফর্মে গাঢ় নীল ও হালকা অলিভ (জলপাই) রঙের সংমিশ্রণ ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা করা হয়েছে। এ বিষয়ে পুলিশ ড্রেস রুলস, ২০২৫ সংশোধনের প্রস্তাব স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।পুলিশ সদর দপ্তর-এর লজিস্টিকস শাখার অতিরিক্ত ডিআইজি মো. সারোয়ার জাহান স্বাক্ষরিত চিঠিতে বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়। এতে বলা হয়, বর্তমান ইউনিফর্ম নকশা পুনর্বিবেচনা করে ব্যবহারিক ও গ্রহণযোগ্য রঙে ফেরানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।এর আগে এক এসআরও অনুযায়ী পুলিশের শার্টের রং গাঢ় ধূসর ও প্যান্ট গাঢ় নীল থেকে পরিবর্তন করে শার্ট লৌহ রং এবং প্যান্ট কফি রং নির্ধারণ করা হয়েছিল। তবে এই পরিবর্তন মাঠপর্যায়ের পুলিশ সদস্যদের মধ্যে ব্যাপক অসন্তোষ সৃষ্টি করে। অনেকেই নতুন রংকে অপ্রায়োগিক ও অস্বস্তিকর বলে মত দেন, যা নিয়ে বাহিনীর ভেতরে ও বাইরে সমালোচনাও হয়।নতুন প্রস্তাব অনুযায়ী, মহানগর পুলিশের (মেট্রোপলিটন) শার্ট হবে হালকা অলিভ (জলপাই) রঙের। অন্যদিকে এপিবিএন, এসপিবিএন, এসবি, সিআইডি এবং র্যাব ছাড়া অন্যান্য ইউনিটের শার্টের রং হবে গাঢ় নীল। সব ক্ষেত্রেই প্যান্টের রং থাকবে টিসি টুইল খাকি।পুলিশ সদর দপ্তর জানিয়েছে, সংশোধিত ড্রেস রুলস কার্যকর হলে ইউনিফর্মের একাধিক ধারা পরিবর্তন করতে হবে। এ সংক্রান্ত খসড়াও ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানো হয়েছে।এছাড়া জানানো হয়েছে, পোশাক সরবরাহ ব্যবস্থা আগের মতোই চলমান থাকবে এবং প্রাপ্যতার ভিত্তিতে নতুন ইউনিফর্ম বিতরণ করা হবে। ফলে এই পরিবর্তনে সরকারের অতিরিক্ত বড় ধরনের ব্যয় হবে না বলে দাবি করা হচ্ছে।
স্বামীর ছুরিকাঘাতে স্ত্রী খুন নরসিংদীর রায়পুরায় নৃশংস ঘটনা
বাংলাদেশ পুলিশের ইউনিফর্মের রং পরিবর্তন নিয়ে আবারও নতুন উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। চলমান বিতর্ক ও মাঠপর্যায়ের অসন্তোষের পর আগের রংয়ের কাছাকাছি নকশায় ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্তের দিকে যাচ্ছে কর্তৃপক্ষ।নতুন প্রস্তাব অনুযায়ী, পুলিশের ইউনিফর্মে গাঢ় নীল ও হালকা অলিভ (জলপাই) রঙের সংমিশ্রণ ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা করা হয়েছে। এ বিষয়ে পুলিশ ড্রেস রুলস, ২০২৫ সংশোধনের প্রস্তাব স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।পুলিশ সদর দপ্তর-এর লজিস্টিকস শাখার অতিরিক্ত ডিআইজি মো. সারোয়ার জাহান স্বাক্ষরিত চিঠিতে বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়। এতে বলা হয়, বর্তমান ইউনিফর্ম নকশা পুনর্বিবেচনা করে ব্যবহারিক ও গ্রহণযোগ্য রঙে ফেরানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।এর আগে এক এসআরও অনুযায়ী পুলিশের শার্টের রং গাঢ় ধূসর ও প্যান্ট গাঢ় নীল থেকে পরিবর্তন করে শার্ট লৌহ রং এবং প্যান্ট কফি রং নির্ধারণ করা হয়েছিল। তবে এই পরিবর্তন মাঠপর্যায়ের পুলিশ সদস্যদের মধ্যে ব্যাপক অসন্তোষ সৃষ্টি করে। অনেকেই নতুন রংকে অপ্রায়োগিক ও অস্বস্তিকর বলে মত দেন, যা নিয়ে বাহিনীর ভেতরে ও বাইরে সমালোচনাও হয়।নতুন প্রস্তাব অনুযায়ী, মহানগর পুলিশের (মেট্রোপলিটন) শার্ট হবে হালকা অলিভ (জলপাই) রঙের। অন্যদিকে এপিবিএন, এসপিবিএন, এসবি, সিআইডি এবং র্যাব ছাড়া অন্যান্য ইউনিটের শার্টের রং হবে গাঢ় নীল। সব ক্ষেত্রেই প্যান্টের রং থাকবে টিসি টুইল খাকি।পুলিশ সদর দপ্তর জানিয়েছে, সংশোধিত ড্রেস রুলস কার্যকর হলে ইউনিফর্মের একাধিক ধারা পরিবর্তন করতে হবে। এ সংক্রান্ত খসড়াও ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানো হয়েছে।এছাড়া জানানো হয়েছে, পোশাক সরবরাহ ব্যবস্থা আগের মতোই চলমান থাকবে এবং প্রাপ্যতার ভিত্তিতে নতুন ইউনিফর্ম বিতরণ করা হবে। ফলে এই পরিবর্তনে সরকারের অতিরিক্ত বড় ধরনের ব্যয় হবে না বলে দাবি করা হচ্ছে।
খুলনার কয়রায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে পালিত আইনগত সহায়তা দিবস
বাংলাদেশ পুলিশের ইউনিফর্মের রং পরিবর্তন নিয়ে আবারও নতুন উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। চলমান বিতর্ক ও মাঠপর্যায়ের অসন্তোষের পর আগের রংয়ের কাছাকাছি নকশায় ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্তের দিকে যাচ্ছে কর্তৃপক্ষ।নতুন প্রস্তাব অনুযায়ী, পুলিশের ইউনিফর্মে গাঢ় নীল ও হালকা অলিভ (জলপাই) রঙের সংমিশ্রণ ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা করা হয়েছে। এ বিষয়ে পুলিশ ড্রেস রুলস, ২০২৫ সংশোধনের প্রস্তাব স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।পুলিশ সদর দপ্তর-এর লজিস্টিকস শাখার অতিরিক্ত ডিআইজি মো. সারোয়ার জাহান স্বাক্ষরিত চিঠিতে বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়। এতে বলা হয়, বর্তমান ইউনিফর্ম নকশা পুনর্বিবেচনা করে ব্যবহারিক ও গ্রহণযোগ্য রঙে ফেরানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।এর আগে এক এসআরও অনুযায়ী পুলিশের শার্টের রং গাঢ় ধূসর ও প্যান্ট গাঢ় নীল থেকে পরিবর্তন করে শার্ট লৌহ রং এবং প্যান্ট কফি রং নির্ধারণ করা হয়েছিল। তবে এই পরিবর্তন মাঠপর্যায়ের পুলিশ সদস্যদের মধ্যে ব্যাপক অসন্তোষ সৃষ্টি করে। অনেকেই নতুন রংকে অপ্রায়োগিক ও অস্বস্তিকর বলে মত দেন, যা নিয়ে বাহিনীর ভেতরে ও বাইরে সমালোচনাও হয়।নতুন প্রস্তাব অনুযায়ী, মহানগর পুলিশের (মেট্রোপলিটন) শার্ট হবে হালকা অলিভ (জলপাই) রঙের। অন্যদিকে এপিবিএন, এসপিবিএন, এসবি, সিআইডি এবং র্যাব ছাড়া অন্যান্য ইউনিটের শার্টের রং হবে গাঢ় নীল। সব ক্ষেত্রেই প্যান্টের রং থাকবে টিসি টুইল খাকি।পুলিশ সদর দপ্তর জানিয়েছে, সংশোধিত ড্রেস রুলস কার্যকর হলে ইউনিফর্মের একাধিক ধারা পরিবর্তন করতে হবে। এ সংক্রান্ত খসড়াও ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানো হয়েছে।এছাড়া জানানো হয়েছে, পোশাক সরবরাহ ব্যবস্থা আগের মতোই চলমান থাকবে এবং প্রাপ্যতার ভিত্তিতে নতুন ইউনিফর্ম বিতরণ করা হবে। ফলে এই পরিবর্তনে সরকারের অতিরিক্ত বড় ধরনের ব্যয় হবে না বলে দাবি করা হচ্ছে।
এশিয়া কাপ জিতে শিরোপা নিল না ভারত
ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা শনাক্তে কঠোর ব্যবস্থা, বাতিল ৬৪৭৬ জনের নাম
নীলফামারী লক্ষীচাপে নিজস্ব অর্থায়নে মাস্ক, সাবান, টিসু ও জনসচেতনামুলক লিফলেট বিতরণ
নীলফামারীকে পাখিদের অভয়ারণ্য নগরী গড়ার উদ্যোগ
আগৈলঝাড়ায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ১ লাখ অবৈধ জাল জব্দ
ঠাকুরগাঁওয়ে উপজেলা শিল্পকলা একাডেমির চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত
অবৈধ বালু বাণিজ্যে থামেনি চক্র: প্রশাসনের জালে ১১, জব্দ ২ ড্রেজার
আবারো বাড়ল জ্বালানি তেলের দাম
প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর প্রথমবার বগুড়ায় আসছেন তারেক রহমান
পুলিশের পোশাকে আসছে ফের পরিবর্তন
অস্বাভাবিক হারে বাড়বে তেলের দাম, কটাক্ষ ইরানি স্পিকারের
ভারতে হাসপাতালের দেয়াল ধসে নিহত ৭
নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে হরমুজ প্রণালীকে ঘিরে
নিউমার্কেট এলাকায় গুলিতে নিহতের পরিচয় ‘শীর্ষ সন্ত্রাসী টিটন’
কুড়িগ্রামে ব্রহ্মপুত্র নদের ভয়াবহ ভাঙ্গনে গৃহহীন সাত শতাধিক পরিবার
বাল্যবিবাহ রুখে সাহসিকতার স্বীকৃতি পেল তহমিনা
নীলফামারীতে কাটেনি জ্বালানি তেলের কৃত্রিম সংকট
সিংড়ায় খাবার খেয়ে একসাথে অসুস্থ ৮ শ্রমিক, হাসপাতালে ভর্তি
স্বামীর ছুরিকাঘাতে স্ত্রী খুন নরসিংদীর রায়পুরায় নৃশংস ঘটনা
জ্যেষ্ঠতা লঙ্ঘন করে পদোন্নতির অভিযোগ
একবার জ্বালানিতেই চলবে ১৮ মাস / রূপপুর থেকে ৬০ বছর নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ মিলবে
পাবনার ঈশ্বরদীতে রচিত হচ্ছে বাংলাদেশের এক নতুন ইতিহাস। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে আনুষ্ঠানিকভাবে জ্বালানি লোডিং কার্যক্রম শুরু হতে যাচ্ছে। এই ঐতিহাসিক মুহূর্তের মধ্যদিয়ে চূড়ান্ত গন্তব্যের পথে এক বিশাল ধাপ এগিয়ে যাবে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প। শুরুতে প্রতি ইউনিটের খরচ ৬ টাকা ধরা হলেও অভ্যন্তরীণ সূত্র বলছে এখন দাম ১২ টাকা পড়বে।এককথায় এ কেন্দ্র চালু হলে বিশ্বের পারমাণবিক শক্তি ব্যবহারকারী দেশগুলোর তালিকায় বাংলাদেশের এই প্রবেশ শুধু বিদ্যুৎ উৎপাদনের নতুন দিগন্তই উন্মোচন করবে না, বরং দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত ও প্রযুক্তিগত উৎকর্ষের এক মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হবে।জানা যায়, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটের চুল্লিতে আজ মঙ্গলবার জ্বালানি হিসেবে ইউরেনিয়াম সরবরাহ করা হবে। তবে এরপরও শতাধিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা বাকি থাকবে। সবশেষে কয়েক মাস পর ধাপে ধাপে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ যুক্ত হবে।বিদ্যুৎকেন্দ্রটির স্বাভাবিক আয়ুষ্কাল ৬০ বছর। এই সময়ে এখান থেকে পাওয়া যাবে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ। তবে প্রয়োজনীয় মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণ সাপেক্ষে আরও ৩০ বছর পর্যন্ত কেন্দ্রটির আয়ু বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে।কেন্দ্রটিতে একবার জ্বালানি লোড করার পর তা দিয়ে চলবে টানা দেড় বছর। ফলে অন্যান্য বিদ্যুৎকেন্দ্রের মতো তেল, গ্যাস কিংবা কয়লা কেনার ঝক্কি-ঝামেলা নেই। দেড় বছর পর এক-তৃতীয়াংশ করে জ্বালানি পরিবর্তন করতে হবে। এছাড়া, রূপপুরের দুটি ইউনিটের প্রতিটির উৎপাদন ক্ষমতা ১২০০ মেগাওয়াট। এবার প্রথম ইউনিটে জ্বালানি স্থাপন করা হচ্ছে। এই ইউনিটের পারমাণবিক চুল্লিতে বিক্রিয়ার জন্য প্রয়োজন হবে ১৬৩টি ইউরেনিয়াম বান্ডেল। প্রতিটি বান্ডেলে থাকে ১৫টি করে ইউরেনিয়াম প্লেটসমৃদ্ধ রড। দুই বছর আগেই বাংলাদেশ ১৬৮টি এমন বান্ডেল সংগ্রহ করেছে, যার মধ্যে ৫টি সংরক্ষণে রাখা হবে।ইউরেনিয়াম বান্ডেল চুল্লিতে স্থাপন করতে সময় লাগবে প্রায় ৪০ থেকে ৪৫ দিন। এরপর ধীরে ধীরে নিউক্লিয়ার ফিশন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তাপ উৎপাদন করা হবে। সেই তাপে পানি বাষ্পে পরিণত হয়ে টারবাইন ঘুরাবে, যার মাধ্যমে উৎপন্ন হবে বিদ্যুৎ।বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম বলেন, ফুয়েলিং শুরু হলে এতে প্রায় ১৫ দিন সময় লাগবে। এরপর আরও প্রায় ১৫ দিন লাগবে পরীক্ষামূলক কার্যক্রমে। সব মিলিয়ে প্রায় ৩০ দিনের মধ্যে প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হবে এবং এরপর প্রায় দুই মাসের মধ্যে ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।প্রসঙ্গত, আর্থিক বিবেচনায় বাংলাদেশের একক প্রকল্প হিসেবে সবচেয়ে বড় প্রকল্প রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে আর্থিক, কারিগরি ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতা করছে রাশিয়া। প্রায় এক লাখ ১৪ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণাধীন এ প্রকল্পের ৯০ শতাংশ অর্থ ঋণ দিচ্ছে রাশিয়া, যেটা ২৮ বছরের মধ্যে পরিশোধ করতে হবে।রাশিয়ার প্রতিষ্ঠান রোসাটমের সার্বিক তত্ত্বাবধানে বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।
সাবেক মেয়র মনজুরের বাসায় গিয়ে প্রশ্নের মুখে হাসনাত আবদুল্লাহ
সাবেক মেয়র মনজুরের বাসায় গিয়ে প্রশ্নের মুখে হাসনাত আবদুল্লাহ
প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর প্রথমবার বগুড়ায় আসছেন তারেক রহমান
প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর প্রথমবার বগুড়ায় আসছেন তারেক রহমান