ঈশ্বরদীর নিবেদিতপ্রাণ সাংস্কৃতিক কর্মী ও সাংবাদিক আতাউর রহমান বাবলু
উত্তর জনপদের এক পরিচিত এলাকার নাম ঈশ্বরদী, দেশের এক উন্নত উপজেলা। দেশের প্রায় সকলের কাছে নানা কারণেই পরিচিত ঈশ্বরদী উপজেলা। সেই ঈশ্বরদী শহরের একটি পরিচিত নাম সাংবাদিক আতাউর রহমান বাবলু। সাংবাদিক হিসাবে পরিচিত হলেও মনে প্রাণে তিনি একজন সাংস্কৃতিক কর্মী। ঈশ্বরদী প্রেসক্লাবের স্থায়ী সদস্য বাবলু ঈশ্বরদীর বিভিন্ন সাংস্কৃতিক ও সাহিত্য সংগঠনের সাথে জড়িত। তিনি একাধারে ঈশ্বরদী সাহিত্য সংস্কৃতি পরিষদের সহ সাধারণ সম্পাদক, ঈশ্বরদীর ঐতিহ্যবাহী নাট্য সংগঠন “সতীর্থ থিয়েটার “ ও ঈশ্বরদী সাহিত্য কোলাহলের উপদেষ্টা। আতাউর রহমান বাবলু দীর্ঘদিন যাবৎ “বিশ্ববাংলা সাহিত্য পরিষদ” এর কার্যনির্বাহী সদস্য হিসাবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।
সাংবাদিক হিসাবে তিনি বিভিন্ন সময়ে দৈনিক বাংলাদেশ বার্তা, দৈনিক আলোর দিগন্ত, দৈনিক মায়ের আঁচল পত্রিকার ঈশ্বরদী প্রতিনিধি হিসাবে কাজ করছেন। এখন তিনি দৈনিক লোকায়ন পত্রিকার ঈশ্বরদী প্রতিনিধি হিসাবে কাজ করছেন। এছাড়াও বাবলু ঈশ্বরদীর নানা সাহিত্য সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকেন।
আতাউর রহমান বাবলুর জন্ম সিরাজগঞ্জ জেলার কাজিপুর উপজেলাতে ১৯৭২ সালে। ১৯৭৩ সালে তার পিতা মরহুম আব্দুস সাত্তারের রেলওয়ে চাকরিসূত্রে তাদের পাকশীতে আসা, পাকশীতে তারা বাবুপাড়াতে থাকতেন, পরে একসময় পাকশী মেরিনপাড়াতেও ছিলেন। এখন তারা ঈশ্বরদীর মশুরীপাড়ায় স্থায়ীভাবে বসবাস করেন। বাবলুর বাবা মরহুম আব্দুস সাত্তার ছিলেন একজন সংস্কৃতিমনা মানুষ, তিনি ভালো বাঁশি বাজাতেন, গান গাইতেন, বিশেষ করে পল্লীগীতি। পাকশীর হাসেমআলী মিলনায়তনে নাটক করতেন, পাকশীর সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব হিসাবে পরিচিত ছিলেন মরহুম আব্দুস সাত্তার। সাংস্কৃতিকমনা পিতার রক্তধারার গুন পেয়েছে আতাউর রহমান বাবলু। বাবলু পাকশী চন্দ্রপ্রভা থেকে ১৯৮৮ সালে এস, এস,সি পাস করেছেন,। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতা ও গণসংযোগ বিভাগ থেকে মাস্টার্স করেছেন। স্থানীয় পত্রিকায় লেখালেখির মাধ্যমে তার সংবাদপত্র জগতে আসা।
বর্তমানে তিনি ঈশ্বরদীতে একটি ফিজিওথ্যারাফি প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করেন। ব্যক্তিগত জীবনে দুই কন্যা ও এক পুত্র সন্তানের জনক।
তার জীবনে সফলতা আসুক।